Recent in Fashion

বিনোদন

Best Seller Books

বিনোদন

বিএনপির ক্রমাগত মিথ্যাচার ফৌজদারি অপরাধের শামিল


আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির ক্রমাগত জঘন্য মিথ্যাচার ফৌজদারি অপরাধের শামিল। আমি আশা করবো, এই মিথ্যাচারের রাজনীতি থেকে তারা বেরিয়ে আসবেন এবং এই রমজান মাসে দয়া করে মিথ্যাচারটা পরিহার করবেন।


সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপি নেতাদের সাম্প্রতিক সময়ে করা নানা মন্তব্যের প্রতি সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি একথা বলেন।


হাছান মাহমুদ বলেন, 'করোনাদুর্যোগে মানুষের জীবনরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। করোনার মধ্যে একজন মানুষও না খেয়ে মারা যায়নি। ৬ কোটির বেশি মানুষ সরকারের ত্রাণ ও সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের আওতায়। পাশাপাশি আরও এক কোটির বেশি মানুষকে ত্রাণ দিয়েছে আওয়ামী লীগ। ত্রাণ কার্যক্রমে মানুষ খুশি। অথচ বিএনপি মাঝেমধ্যে ঢাকা ও এর আশেপাশে কেরানীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জে ফটোসেশন করে দুই-তিনশ মানুষেকে ত্রাণ দিতে যায় আর বিভিন্ন মিথ্যাচার করে, যা ফৌজদারি অপরাধের শামিল।


বাংলাদেশ ও বিদেশের করোনা পরিস্থিতির তুলনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব যখন শুরু হয়, ইউরোপ-আমেরিকার সুপার মার্কেটগুলোতে তখন পণ্য শেষ হয়ে গিয়েছিল। মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মার্কেটের সামনে পণ্য কেনার জন্য লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। বহু সুপার মার্কেটে গিয়েও কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যায়নি। আমাদের দেশে নিত্যপণ্যের বাজারে সেই পরিস্থিতি হয়নি।'


আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'ইউরোপ-আমেরিকায় শুরুতে মাস্কের সংকট ছিল, হোয়াইট হাউজের সামনে পিপিই'র জন্য বিক্ষোভ হয়েছে, আমেরিকার অন্যান্য জায়গাও পিপিই'র জন্য বিক্ষোভ হয়েছে, কিন্তু নিত্যপণ্য ও মাস্কের কোনো ঘাটতি আমাদের দেশে হয়নি। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে লাখ লাখ পিপিই বিতরণ করা হয়েছে এবং কয়েক লাখ পিপিই মজুদ আছে।'


ত্রাণ বিতরণ অত্যন্ত স্বচ্ছভাবে হচ্ছে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'সব দলের মানুষকে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। যারা অন্য দল করেন তারাও আছেন, যারা আওয়ামী লীগকে গালি দেন- এমনকি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিষোদগার করেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তারাও এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের আওতায় এসেছে। ৬৪ হাজারের বেশি স্থানীয় সরকার প্রতিনিধির মধ্যে ৫৫ জন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত যা ০.০৮ শতাংশ অর্থাৎ ১ হাজারে একজনও নয়। ত্রাণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির ফলেই এরা শনাক্ত হয়েছে। অন্য কেউ নয়, সরকারি প্রশাসনই তাদের শনাক্ত করেছে, সরকারের পুলিশ এবং মন্ত্রণালয়ই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।'


৫০ লাখ পরিবারকে এককালীন ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ পৌঁছানোর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভ্রান্তি তৈরির অবকাশ নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, 'তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে তিন স্তরে তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে এটি সরাসরি গ্রহীতার কাছে যাচ্ছে। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, নাম, ঠিকানা, বাবার নাম ও মোবাইল নম্বর না মিললে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। কেউ তালিকা দিলেই পাবেন, তা নয়। পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই করেই টাকা দেওয়া হচ্ছে।'

Subscribe Our Newsletter

avatar
"By speaking behind my back, it means that you respect my existence enough not to act in front of my face."

Related Posts

0 Comment

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Article Top Ads

Parallax Ads

POST ADSENSE ADS
HERE
THAT HAVE BEEN PASSED

Article Center Ads

Article Bottom Ads